প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, অনেকেই মনে করেন গণভোটে কোনো মার্কা নেই। কিন্তু গণভোটের মার্কা রয়েছে, হ্যাঁ হলে টিক চিহ্ন, আর না হলে ক্রস চিহ্ন। তাই চাইলে পরে ঠিক করুন, তবে সিল দিন টিক (হ্যাঁ)।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে রাজশাহী নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনায় কিছু ভিন্নমত থাকলেও গণভোট আয়োজনের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের দ্বিমত ছিল না। তিনি জানান, সব রাজনৈতিক দলই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একমত পোষণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বড় একটি সংকটের মূল কারণ হলো সঠিকভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে না পারা। যতদিন দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল, ততদিন তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়েছিল। এই ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর কীভাবে পরবর্তী তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠনের পথে সরকার এগোতে চায়। রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে দেশের বর্তমান সংবিধান ও আইন পরিবর্তন করা জরুরি। অন্যথায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
তিনি বলেন, সামনের বাংলাদেশের দরজা খোলার চাবি জনগণের হাতেই রয়েছে। দরজাটি খুলবেন কি না, সে বিষয়ে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। সাদা ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গোলাপি ব্যালটে অবশ্যই টিক চিহ্নে ভোট দিতে হবে, কারণ এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। এই ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব সবাই মিলে পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য মনির হায়দার, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জিললুর রহমান।
সম্মেলনে রাজশাহী বিভাগের ইমাম, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় প্রশাসন ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে রাজশাহী নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই ২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনায় কিছু ভিন্নমত থাকলেও গণভোট আয়োজনের প্রশ্নে কোনো রাজনৈতিক দলের দ্বিমত ছিল না। তিনি জানান, সব রাজনৈতিক দলই জুলাই সনদ বাস্তবায়নে একমত পোষণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের বড় একটি সংকটের মূল কারণ হলো সঠিকভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে না পারা। যতদিন দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছিল, ততদিন তুলনামূলকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব হয়েছিল। এই ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর কীভাবে পরবর্তী তিনটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্র সংস্কারের প্রসঙ্গে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠনের পথে সরকার এগোতে চায়। রাষ্ট্রব্যবস্থা কার্যকর করতে হলে দেশের বর্তমান সংবিধান ও আইন পরিবর্তন করা জরুরি। অন্যথায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই সেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদী।
তিনি বলেন, সামনের বাংলাদেশের দরজা খোলার চাবি জনগণের হাতেই রয়েছে। দরজাটি খুলবেন কি না, সে বিষয়ে সবাইকে উৎসাহিত করতে হবে। সাদা ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গোলাপি ব্যালটে অবশ্যই টিক চিহ্নে ভোট দিতে হবে, কারণ এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যতের প্রশ্ন। এই ভবিষ্যৎ গঠনের দায়িত্ব সবাই মিলে পালন করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. ছালাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য মনির হায়দার, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এবং রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. জিললুর রহমান।
সম্মেলনে রাজশাহী বিভাগের ইমাম, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :